ধর্মপুর ইউনিয়ন, ফেনী সদর

মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়াত্ত উইকিপিডিয়া
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ধর্মপুর ইউনিয়ন ইউনিয়ন, {{{উপজিলা}}}
মাপাহান

{{{উপজিলা}}}র মা ধর্মপুর ইউনিয়ন ইউনিয়নগ
উপজিলা [[]]
জিলা [[]]
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
প্রতিনিধি
চেয়ারম্যানগ জনাব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম(২),জনাব করিমুল হক বিএ(১),জনাব আলহাজ্ব নুর মিয়া মাষ্টার(১),জনাব সামছুল হক পরী(১),জনাব মহি উদ্দিন মিল্লাত(১),জনাব এডঃ মুহাম্মদ জাপর উল্যাহ খান(১),জনাব আজিজের রহমান(১),জনাব মানিক মাহমুদ(১),এম এ খালেক(১),এম আজহারুল হক আরজু(৩),শাহাদাৎ হোসেন সাকা(বর্তমান)
পরিসংখ্যান
গাঙ ১১ টি
মৌজা ১১ টি
লয়াগ
 - পুল্লাপ
 

৪০৬৯ একর (১৬.৯০ বর্গ কিমি)
ঘর ৩৯৩১ গ
জনসংখ্যা
 - পুল্লাপ
 -বেয়াপা
 -মুনি

২৩,৯৩৭ গ ১১,৮৮৭ গ
১১,২৩৩  গ
শিক্ষারহার ৬৩.১ %
সরকারী পৌ ধর্মপুর ইউনিয়ন ইউনিয়নর সরকারী তথ্য

৪নং ধর্মপুর ইউনিয়ন (ইংরেজি:Dharmapur Union), এগ ফেনী সদর উপজেলার ফেনী জেলার বারো চট্টগ্রাম বিভাগর ইউনিয়ন আগ।

ভৌগলিক উপাত্ত[পতিক]

আয়তন: ৪০৬৮ একর (১৬,.৪৬বর্গ কিলোমিটার)। ইউনিয় এ ৩৯৩১ ঘর আছে।

ইউনিয়নটির ভোগৌলিক অবস্থান[পতিক]

ধর্মপুর ইউনিয়ন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের আওতায় একটি ইউনিয়ন। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার মূল থানা ফেনী সদরের ১২ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ নাম্বর ইউনিয়ন। অত্র ইউনিয়নে ৯ টি ওয়ার্ড আছে। অত্র ইউনিয়নের-

পূর্বে : --- শর্শদি ইউনিয়ন।

পশ্চিমে : --- কাজিরবাগ ইউনিয়ন।

উত্তরে : --- ভারতের ত্রিপুরা।

দক্ষিণে : --- বারাহীপুর,ফেনী।

জনসংখ্যার উপাত্ত[পতিক]

বাংলাদেশর ১৯৯১ আদম শুমারি (লোক গননা) অনুযায়ী ধর্মপুর ইউনিয়নের জনসংখ্যা পরিমান ২৩,৯৩৭ জন। [১] ধর্মপুর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৩৬.১%। বাংলাদেশর সাক্ষরতার হারহান ৩২.৪%। ==

বিখ্যাত স্থান[পতিক]

মাজার,তাকিয়া,চৌধুরি গার্ড়েন পার্ক,পুরাতন বিমান বন্দর (যা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্বের সময় নির্মিত বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বিমান বন্দর)।

বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ[পতিক]

এই ইউনিয়নের বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান বৃন্দই ব্যাপক প্রসিদ্ধ ছিলেন। কিন্তু সবার মধ্যে যারা বেশী প্রসিদ্ধ ছিলেন তাদের বর্ণনা নিম্নরুপঃ-

★এম আজহারুল আরজু : সংক্ষিপ্ত বিবরনী ও পরিচিতিঃ- এম আজহারুল হক আরজু ধর্মপুর ইউনিয়নের সর্বকালের সর্বাধিক পরিচিত একজন ব্যাক্তি। তিনি একাধারে ফেনী কলেজ ছাত্রলীগ,ফেনী সদর উপজেলা ছাত্রলীগ,ফেনী জেলা ছাত্রলীগ,ফেনী জেলা যুবলীগ,সভাপতি ছিলেন। তিনি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার জনপ্রিয়তা এতই বেশী যে, তিনি জেল খানায় থেকেও চ্য়ােরম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি টানা ৩ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দলীয় কোন্দলের কারণে ৪র্থ বার তিনি চেয়ারম্যান হতে পারেননি। যোগ্যতা থাকা সত্বেও দলীয় কোন্দলের জেরে তিনি ফেনী সদর আসনের সাংসদ হতে পারেননি।

★হাজী রাজা মিয়া ঃ- হাজী রাজা মিয়ার বাড়ি ধর্ম পুরের বর্তমান ৯ নং ওয়ার্ডে। তিনি ধর্মপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার জন্য নিজস্ব জমি বরাদ্দ দেন। পাশাপাশি মসজিদের জন্য ও বরাদ্দ দেন।

★জয়নাল হাজারী ঃ- জয়নাল হাজারীর পৈত্রিক সূত্র ধর্মপুর। তিনি একজন মুক্তি যোদ্ধা ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার পাশাপাশি তিনি ফেনী জেলা তিন-তিনবার সংসদ সদস্য ছিলেন।

★আবু নাছের মোঃ মুরাদ ঃ-

মুরাদ ৪নং ধর্মপুর ইউনিয়নের পরিচিত নাম গুলোর একটি। তার পুরো নাম আবু নাছের মোঃ মুরাদ। তিনি সংক্ষিপ্ত "মুরাদ" নামেই বেশী পরিচিত। তিনি প্রতিভাবান,সম্বাবনাময় তরুণ ছাত্রনেতা ছিলেন। কতিপয় সমস্যার কারণে তিনি রাজনীতিতে পুরোপুরি সফলতা অর্জন করতে পারেননি। ভালো ব্যবহারের কারণে তিনি অল্পদিনেই ভালো মানুষ হিসেবে সবার কাছে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তার ব্যক্তিগত বিশেষ গুন ছিলো- তিনি সবসময় লজিকাল চিন্তা করতেন। লজিকাল দিক গুলো বেশী প্রাধান্য দিতেন, তিনি আবেগে বিশ্বাসী ছিলেননা,বাস্তবতায় বিস্বাসী ছিলেন। তিনি সময়োপযোগী চিন্তা ভাবনাকে গুরুত্ব দিতেন। তার মূলমন্ত্র ছিলো 'চেষ্টাই সফলতার মূল সোপান' 'চেষ্টা করলে যে কেউ যেকোনো কিছু করতে পারে' ব্যক্তিগত সমস্যা না থাকলে তিনি ব্যাপক প্রসিদ্ধি লাভ করতেন।

আবু নাছের মোঃ মুরাদ[পতিক]

মুরাদ ৪নং ধর্মপুর ইউনিয়নের পরিচিত নাম গুলোর একটি। তার পুরো নাম আবু নাছের মোঃ মুরাদ। তিনি সংক্ষিপ্ত "মুরাদ" নামেই বেশী পরিচিত। তিনি প্রতিভাবান,সম্বাবনাময় তরুণ ছাত্রনেতা ছিলেন। কতিপয় সমস্যার কারণে তিনি রাজনীতিতে পুরোপুরি সফলতা অর্জন করতে পারেননি। ভালো ব্যবহারের কারণে তিনি অল্পদিনেই ভালো মানুষ হিসেবে সবার কাছে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তার ব্যক্তিগত বিশেষ গুন ছিলো- তিনি সবসময় লজিকাল চিন্তা করতেন। লজিকাল দিক গুলো বেশী প্রাধান্য দিতেন, তিনি আবেগে বিশ্বাসী ছিলেননা,বাস্তবতায় বিস্বাসী ছিলেন। তিনি সময়োপযোগী চিন্তা ভাবনাকে গুরুত্ব দিতেন। তার মূলমন্ত্র ছিলো 'চেষ্টাই সফলতার সোপান' 'চেষ্টা করলে যে কেউ যেকোনো কিছু করতে পারে' ব্যক্তিগত সমস্যা না থাকলে তিনি পুরো বাংলাদেশে প্রসিদ্ধি লাভ করতেন।

নুর মিয়া মাষ্টার[পতিক]

হাজী নুর মিয়া মাস্টার ধর্মপুর ইউনিয়নের শ্রদ্ধাবাজন লোকদের মধ্যে অন্যতম,তিনি ধর্মপুরের আমিন বাজারের পাশের বাসিন্দা। তিনি ধনী ও দানশীলতার জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তিনি ধর্মপুরের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন স্থাপনা গড়নে সহযোগীতা করেন।

এম আজহারুল আরজু[পতিক]

সংক্ষিপ্ত বিবরনী ও পরিচিতিঃ- এম আজহারুল হক আরজু ধর্মপুরের সর্বাধিক পরিচিত একজন ব্যাক্তির নাম। তিনি একাধারে ফেনী কলেজ ছাত্রলীগ,ফেনী সদর উপজেলা ছাত্রলীগ,ফেনী জেলা ছাত্রলীগ,ফেনী জেলা যুবলীগ,সভাপতি ছিলেন। তিনি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি জেল খানায় থাকা অবস্হায় সর্ব প্রথম চ্য়ােরম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি টানা ৩ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দলীয় কোন্দলের কারণে ৪র্থ বার তিনি চেয়ারম্যান হতে পারেননি।

উৎপাদিত ফসল ও আয়ের উৎস[পতিক]

এই ইউনিয়নের মাটি অত্যন্ত উর্বর, ফসল উৎপাদনের জন্য উপযোগী

এখানে আখ,ধান,শাক-সবজি ইত্যাদি উৎপাদন হয়। এই ইউনিয়নের প্রধান আয়ের উৎস কৃষি, ব্যবসা,চাকরি ইত্যাদি। কিন্তু বর্তমানে উক্ত ইউনিয়নের বাসিন্দের বেশীরভাগ পরিবার প্রবাসী আয়ের দিকে ব্যাপকভাবে ঝুকে গেছে। সেজন্য বলা যায় বর্তমানে এখানকার মূল আয়ের উৎস প্রবাসী আয়।

প্রাচীন ইতিহাস[পতিক]

ধর্মপুর ইউনিয়নের ভুখন্ড়টি ছিলো উঁচু ভুমি টিলা ও বন-জঙ্গলে আবৃত। প্রাচীন বাসিন্দাগন পাহাড় ও জঙ্গল কেটে সর্বপ্রথম এখানে বসবাস শুরু করেন। প্রাথমিক দিকে এখনে প্রাচীন হিন্দুরা বসবাস শুরু করেন। এরপর ইসলাম ভারতবর্ষে প্রবেশ করার অনেক পরে মুসলিম বসতি গড়তে শুরু করে। প্রাথমিক দিকে হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকলে বর্তমানে এখানে হিন্দুর জনসংখ্যা ২% ।

তথ্যসূত্র[পতিক]

  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS). পাসিলাঙতা জুলাই ২, আদম শুমারি মারি ২০০৭.


Flag of Bangladesh.svg   বাংলাদেশর স্থানীয় সরকারর প্রশাসনর ইউনিয়নয়র বারে লইনাসে নিবন্ধ আহান, লইকরানিত পাঙকরিক।