গোলাপগঞ্জ পৌরসভা

মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়াত্ত উইকিপিডিয়া
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গোলাপগঞ্জ পৌরসভা
[[ছবি:|125px| গোলাপগঞ্জ পৌরসভার ফিরালহান]] [[ছবি:|110px|center| গোলাপগঞ্জ পৌরসভার চিনত্হানহান]]
(ফিরাল) (চিনৎ)
মাপাহান
[[ছবি:|280px|center|গোলাপগঞ্জ উপজিলার পৌরসভাহানি]]
গোলাপগঞ্জ উপজিলার মা গোলাপগঞ্জ পৌরসভা পৌরসভাহান।
উপজিলা গোলাপগঞ্জ উপজিলা
জিলা সিলেট জিলা
বিভাগ সিলেট বিভাগ
দেশ Flag of Bangladesh.svg বাংলাদেশ
প্রতিনিধি
মেয়রগ পৌ নেই
পরিসংখ্যান
ৱার্ড হান
মহল্লা হান
লয়াগ
 - পুল্লাপ
 

বর্গ কিমি
ঘর
জনসংখ্যা
 - পুল্লাপ
 -বেয়াপা
 -মুনি

গ (মারি ২০০১)

শিক্ষারহার %

গোলাপগঞ্জ পৌরসভা এহান গোলাপগঞ্জ উপজিলার সিলেট জিলার বারো সিলেট বিভাগর মা আসে পৌরসভা আহান।

ভৌগলিক উপাত্ত[পতিক]

আয়তনহান: বর্গ কিলোমিটার। পৌরসভা এহাত গ ঘরর ইউনিট আসে।

চৌদ্দাহান[পতিক]

মুঙেদে: ---

পিছেদে: ---

খায়েদে: ---

ঔয়াঙেদে: --- সীমা: পূবে বিয়ানীবাজার থানা ও পশ্চিমে সিলেট সদর থানা,উত্তরে সিলেট সদর থানা ও কানাইঘাটের কিয়দংশ এবং দক্ষিনে কুশিয়ারা নদী ও ফেঞ্চুগঞ্জ থানা অবস্থিত। আয়তন: ১০৫.৫৭ বর্গ মাইল,২৪৭ বর্গ কিলোমিটার বা ৬৭৫৬৯.৪৩ একর। লোকসংখ্যা: ২,২৯০৭৪ জন, পুরুষ ১,১৫,২১০ জন, মহিলা ১,১৩,৮৬৪জন। ইউনিয়ন: ১১ টি , ১নং বাঘা, ২নং গোলাপগঞ্জ, ৩নং ফুলবাড়ি, ৪ নং লক্ষিপাশা, ৫ নং বুধবারীবাজার, ৬ নং ঢাকাদক্ষিন, ৭ নং লক্ষনবন্দ, ৮নং ভাদেশ্বর, ৯ নং পশ্চিম আমুড়া, ১০ নং উত্তর বাদেপাশা ও ১১ নং শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন।

জনসংখ্যার উপাত্ত[পতিক]

বাংলাদেশর ২০০১ মারির মানুলেহা (লোক গননা) ইলয়া গোলাপগঞ্জ পৌরসভার জনসংখ্যা ইলাতাই গ।[১] অতার মা মুনি গ, বারো জেলা/বেয়াপা গ। গোলাপগঞ্জ পৌরসভার সাক্ষরতার হারহান %। বাংলাদেশর সাক্ষরতার হারহান ৩২.৪%।

ইতিহাস[পতিক]

গোলাপগঞ্জ নামের উৎপওি সম্পর্কীয় ইতিহাস আজো রহস্যাবৃত। এ সম্পর্কে এখনও কোন প্রামান্য দলিল পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র স্থানীয় জনশ্রতিই এর একমাত্র ঐতিহাসিক এবং তাও কোন কোন ক্ষেত্রে বিতর্কিত। অনেকের মতে কোন ব্যক্তি বিশেষের বিশেষ করে কোন রাজা,বাদশাহ,স্থানীয় শাসক কিংবা বিজেতের নাম গোলাপগঞ্জ নামের সঁঙ্গে জড়িয়ে আছে। ‘শ্রী গৌরাঙ্গের পূবাঞ্চল পরিভ্রমন এবং আসাম ও ঢাকাদক্ষিন লীলা প্রসঁঙ্গ’ গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া যায়,পাঠান আমল থেকে সিলেট জেলায় দেওয়ান পদ বিশিষ্ট একজন স্থানিয় রাজস্ব কর্মকর্তা অবস্তান করতেন।তিনি ছিলেন দিললী সম্রাটের প্রতিনিধি।রাজা গীরিষ চন্দ্রের পূর্ব পুরুষগন বহুদিন যাবত এ পদে বহাল পর পাঠান সম্রাট শের শাহের পুত্র ইসলাম শাহ শুরের রাজত্বকালে ১৫৪০ সালে গোলাব রায় নামে একজন নতুন দেওয়ান এপদে নিযুক্তি লাভ করেন।তিনি ছিলেন খুবই ধর্মপরায়ন ব্যক্তি,তাঁরই নামানুসারে ‘গোলাবগঞ্জ” নামের সৃষ্টি হয়। পরবর্তিতে ‘গোলাবগঞ্জ” থেকে “গোলাপগঞ্জ” নামে পরিচিতি লাভ করে।পূবে থানা প্রশাসন ছিল হেতিমগঞ্জ।১৯০৬ সালে তদানীন্তন বৃটিশ সরকার সুরমা বিধৌত উপকুলবর্তী অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজরিত এক মনোরম স্থান গোলাপগঞ্জ বাজারের সন্নিকটে(Notification No 528 Part 105 of Govt. Gazette 2.10.1906 established as Golapgonj) থানা কার্যালয় স্থানান্তরিত করেন। [২]

সীমা: পূবে বিয়ানীবাজার থানা ও পশ্চিমে সিলেট সদর থানা,উত্তরে সিলেট সদর থানা ও কানাইঘাটের কিয়দংশ এবং দক্ষিনে কুশিয়ারা নদী ও ফেঞ্চুগঞ্জ থানা অবস্থিত। আয়তন: ১০৫.৫৭ বর্গ মাইল,২৪৭ বর্গ কিলোমিটার বা ৬৭৫৬৯.৪৩ একর। লোকসংখ্যা: ২,২৯০৭৪ জন, পুরুষ ১,১৫,২১০ জন, মহিলা ১,১৩,৮৬৪জন। ইউনিয়ন: ১১ টি , ১নং বাঘা, ২নং গোলাপগঞ্জ, ৩নং ফুলবাড়ি, ৪ নং লক্ষিপাশা, ৫ নং বুধবারীবাজার, ৬ নং ঢাকাদক্ষিন, ৭ নং লক্ষনবন্দ, ৮নং ভাদেশ্বর, ৯ নং পশ্চিম আমুড়া, ১০ নং উত্তর বাদেপাশা ও ১১ নং শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন।

আনোয়ার শাহজাহান রচিত 'গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৬ সালে এবং এটিই ছিল গোলাপগঞ্জের প্রথম ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১৪ খ্রি, বইপত্র প্রকাশন, বাংলাবাজার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।

ৱার্ড বারো মহল্লা[পতিক]

পৌরসভা এহাত ৱার্ড: হান বারো মহল্লা: হান আসে

নাংকরা মানু[পতিক]

ফায় ফসল[পতিক]

সাকেই আসে ইকরা[পতিক]

সিলেটের পাহাড় টিলা বেস্টিত প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের অপরূপ লীলাভূমি গোলাপগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত হলো “গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেন”। দেশ বিদেশে যখন বিলুপ্তপ্রায় গাছের সমাহার ঠিক তখনই সিলেট বিভাগের মধ্যে প্রথম গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহরস্থ মাশা মডেল টাউনে প্রেসক্লাব সংলগ্ন ১৫ একর জায়গায় ফলজ, বনজ, ফুলজ ও ঔষধি গাছের সমাহার নিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেন’। প্রবাসী সাংবাদিক ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আনোয়ার শাহজাহান এ প্রকল্প গড়ে তুলেন। গত ১১ অক্টোবর ২০১০ ইং গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেনের শুভ উদ্বোধন করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শহীদ উল্লাহ তালুকদার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে বৈষ্যিক আবহাওয়া বিরাজ করছে। জলবায়ুর অনুকূল পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের কোন বিকল্প নেই। এক সময় আমাদের এদেশে নানা প্রজাতির বৃরে সমাহার ল্য করা গেলেও কালক্রমে এগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। বনজ ফলজ ঔষধি বৃরে বিলুপ্ত প্রজাতি গাছের ক্ষেএে বোটানিক্যাল গার্ডেন গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট বিভাগ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবল থেকে দেশকে রা করতে হলে এরকম প্রকল্পের প্রয়োজন। বক্ষৃরাজী মাটির ক্ষয়রোধ, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, ভূ-গর্ভস্থ পানির মজুদ, নদ-নদীর পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, বায়ূমন্ডলে অক্সিজিনের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ূপ্রবাহে গতিনিয়ন্ত্রণ, ভূমিধস, বন্য জীব-জন্তু, পাখি ও কীটপতঙ্গের আশ্রয়, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস সহ নানা প্রতিকূলতায় সহায়তা করবে। বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিবেশগত, জীব বৈচিত্রসহ চিত্তবিনোদনে যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

সিলেট বিভাগে এ ধরনের গার্ডেন না থাকায় গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেন সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। লোকসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বিলুপ্তপ্রায় হয়ে যাচ্ছে দেশের বনাঞ্চল। এ বিলুপ্তির ফলে বর্তমান প্রজন্ম বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সাথে অপরিচিত থাকছে। আর এদিক বিবেচনা করেই গার্ডেনের উদ্যোক্তা আনোয়ার শাহজাহানের ব্যক্তি উদ্যোগে সুদুরপ্রসারী এ পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। গোলাপগঞ্জে এ গার্ডেন স্থাপিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা এখানে আসবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা এ গার্ডেনের মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদজ বনানঞ্চলের পরিচিতি লাভ করবে। এ গার্ডেনে শোভা পাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সাথে হারিয়ে যাওয়া অনেক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ। গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যটকদের কাছে সমাদর লাভ করবে।


গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেনের চেয়ারম্যান আনোয়ার শাহজাহান জানিয়েছেন ধারাবহরস্থ মাশা মডেল টাউনে সবুজায়নের পরিকল্পনা নিয়ে এ বাগান তৈরী করা হয়েছে। এখানে পর্যটকদের জন্য নির্মল পরিবেশ তৈরী করা হবে। ইতিমধ্যে তা শুরুও হয়ে গেছে।

গার্ডেনটি উদ্বোধনের পূর্বে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি সচিব সি কিউ কে মুশতাক আহমদ চৌধুরী সহ সিলেট জেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ গার্ডেনের জায়গা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সচিব একটি গাছের চারাও রোপন করেন। আগামীতে এই বাগানটিও গোলাপগঞ্জের ঐতিহ্যের একটি নিদর্শন হিসেবে পরিচিতি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন


এ পর্যন্ত যারা গোলাপগঞ্জ বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করে বৃক্ষ রোপন করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হচ্ছেন - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব, সি.এম শফি সামি, কৃষি সচিব সি.কিউ.কে মুসতাক আহমদ চৌধুরী, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শহিদুল্লাহ তালুকদার, সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় উপসচিব মোঃ এনায়েত উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক আতাউর রহমান, সিলেট বিভাগ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ জিল্লুর রহমান, সিলেট কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক জয়দেব রায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ জেড এম নুরুল হক, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডেপুটি রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব প্রমূখ।

তথ্যসূত্র[পতিক]

  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS). পাসিলাঙতা ডিসেম্বর ১, মারি ২০০৯.
  2. আনোয়ার শাহজাহান - গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, প্রথম প্রকাশ: ১৯৯৬ খ্রি.; দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১৪ খ্রি, বইপত্র প্রকাশন, বাংলাবাজার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।


Flag of Bangladesh.svg   বাংলাদেশর স্থানীয় সরকারর প্রশাসনর পৌরসভার বারে লইনাসে নিবন্ধ আহান, লইকরানিত পাঙকরিক।