পিরিজপুর ইউনিয়ন, বাজিতপুর
| পিরিজপুর ইউনিয়ন, বাজিতপুর উপজিলা | |
| মাপাহান | |
|---|---|
বাজিতপুর উপজিলার মা পিরিজপুর ইউনিয়নগ। | |
| উপজিলা | বাজিতপুর উপজিলা |
| জিলা | কিশোরগঞ্জ জিলা |
| বিভাগ | ঢাকা বিভাগ |
| প্রতিনিধি | |
| চেয়ারম্যানগ | পৌ নেই |
| পরিসংখ্যান | |
| গাঙ | ২৭ হান |
| মৌজা | ৯ হান |
| লয়াগ - পুল্লাপ |
৫৭৩০ একর (৮.৯ বর্গ কিমি) |
| ঘর | ৪৭৬০ গ |
| জনসংখ্যা - পুল্লাপ -বেয়াপা -মুনি |
২৬,৬৪৭ গ (মারি ১৯৯১) ১৩,১২৩ গ ১২,৮৭৬ গ |
| শিক্ষারহার | ১৮.৭ % |
| সরকারী পৌ | পিরিজপুর ইউনিয়নর সরকারী তথ্য |
পিরিজপুর ইউনিয়ন এগ বাজিতপুর উপজিলার কিশোরগঞ্জ জিলার বারো ঢাকা বিভাগর ইউনিয়ন আগ।
ভৌগলিক উপাত্ত
[পতিক]আয়তনহান: ৫৭৩০ একর (৮.৯বর্গ কিলোমিটার)। ইউনিয়ন এগত ৪৭৬০ গ ঘরর ইউনিট আসে।
চৌদ্দাহান
[পতিক]মুঙেদে: --- ইউনিয়ন।
পিছেদে: --- ইউনিয়ন।
খায়েদে: --- ইউনিয়ন।
ঔয়াঙেদে: --- ইউনিয়ন।
জনসংখ্যার উপাত্ত
[পতিক]বাংলাদেশর ১৯৯১ মারির মানুলেহা (লোক গননা) ইলয়া পিরিজপুর ইউনিয়নর জনসংখ্যা ইলাতাই ২৬,৬৪৭ গ।[১] অতার মা মুনি ৫১%, বারো জিলা/বেয়াপা ৪৯%। ইউনিয়ন এগত ১৮ বসরর গজে ১২,৮৭৬গ মানু আসি। লহঙ করিসিতা ৪৫৬৫গ বেয়াপা (১৫-৪৪ বসর) আসি। পিরিজপুর ইউনিয়নর সাক্ষরতার হারহান ১৮.৭%।
ইতিহাসহান
[পতিক]৩৬০আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী
হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া(রহঃ) এর দরগাহ শরীফ সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ।।
[২]৩৬০ আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী
হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া( রহঃ) এর মেলা
সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ।
বাজিতপুর উপজেলার ইতিহাস ও ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের প্রেক্ষাপট নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ১. ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের শাসক ও ধর্মগোষ্ঠী: ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের দিকে এই অঞ্চলটি প্রধানত হিন্দু রাজন্যবর্গের শাসনাধীন ছিল [১.৫.৫]। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বা ভাটি অঞ্চল ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত ছিল। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, সিলেট অঞ্চলে তখন রাজা গৌর গোবিন্দ শাসন করতেন এবং তাঁর প্রভাব পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিদ্যমান ছিল [১.১.৫, ১.৫.৫]। বাজিতপুর ও এর আশপাশের হাওড় অঞ্চল তখন মূলত বনজঙ্গল এবং জলাকীর্ণ ছিল [১.২.৪]। এই সময়ে এখানে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস ছিল বেশি। তবে নিচু বর্ণের হিন্দুদের মধ্যে সামাজিক বৈষম্যের কারণে পরবর্তীতে ইসলাম ধর্মের প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় [১.১.১]। ২. ইসলাম প্রচারের ইতিহাস: আউলিয়াদের আগমন: ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল (র.)-এর সিলেট বিজয়ের সময় থেকেই এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের গতি বৃদ্ধি পায় [১.৫.৫]। অনেক সুফি-সাধক ও পীর-মাশায়েখ এ অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন [১.১.১]। বায়েজিদ খাঁ: বাজিতপুর নামকরণের ক্ষেত্রে মুঘল আমলের বায়েজিদ খাঁ নামক এক রাজকর্মচারীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যিনি দিল্লী থেকে এসে এখানে অবস্থান করেন এবং শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে জনশ্রুতি আছে [১.২.২, ১.২.৩]। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: শাসক (১৩০৩): স্থানীয় হিন্দু রাজা বা সামন্ত রাজা। ধর্মগোষ্ঠী: প্রধানত হিন্দু সমাজ। ইসলাম প্রচার: ১৩০৩-এর পর থেকে সুফি-সাধকদের আগমনে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। বাজিতপুর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে কিশোরগঞ্জ জেলার অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে এর ঐতিহাসিক পটভূমি দেখে নিতে পারেন।[৩]
গাঙ বারো মৌজা
[পতিক]ইউনিয়ন এগত গাঙ: ২৭ হান বারো মৌজা: ৯ হান আসে
নাংকরা মানু
[পতিক]ফায় ফসল
[পতিক]সাকেই আসে ইকরা
[পতিক]পাসিতা
[পতিক]- ↑ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS). পাসিলাঙতা জুলাই ২, মারি ২০০৭.
- ↑ ৩৬০ আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া ( রহঃ) এর দরগাহ শরীফ সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ
- ↑ ৩৬০ আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া( রহঃ) এর মেলা সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ। বাজিতপুর উপজেলার ইতিহাস ও ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের প্রেক্ষাপট নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ১. ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের শাসক ও ধর্মগোষ্ঠী: ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের দিকে এই অঞ্চলটি প্রধানত হিন্দু রাজন্যবর্গের শাসনাধীন ছিল [১.৫.৫]। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বা ভাটি অঞ্চল ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত ছিল। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, সিলেট অঞ্চলে তখন রাজা গৌর গোবিন্দ শাসন করতেন এবং তাঁর প্রভাব পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিদ্যমান ছিল [১.১.৫, ১.৫.৫]। বাজিতপুর ও এর আশপাশের হাওড় অঞ্চল তখন মূলত বনজঙ্গল এবং জলাকীর্ণ ছিল [১.২.৪]। এই সময়ে এখানে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস ছিল বেশি। তবে নিচু বর্ণের হিন্দুদের মধ্যে সামাজিক বৈষম্যের কারণে পরবর্তীতে ইসলাম ধর্মের প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় [১.১.১]। ২. ইসলাম প্রচারের ইতিহাস: আউলিয়াদের আগমন: ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল (র.)-এর সিলেট বিজয়ের সময় থেকেই এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের গতি বৃদ্ধি পায় [১.৫.৫]। অনেক সুফি-সাধক ও পীর-মাশায়েখ এ অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন [১.১.১]। বায়েজিদ খাঁ: বাজিতপুর নামকরণের ক্ষেত্রে মুঘল আমলের বায়েজিদ খাঁ নামক এক রাজকর্মচারীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যিনি দিল্লী থেকে এসে এখানে অবস্থান করেন এবং শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে জনশ্রুতি আছে [১.২.২, ১.২.৩]। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: শাসক (১৩০৩): স্থানীয় হিন্দু রাজা বা সামন্ত রাজা। ধর্মগোষ্ঠী: প্রধানত হিন্দু সমাজ। ইসলাম প্রচার: ১৩০৩-এর পর থেকে সুফি-সাধকদের আগমনে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। বাজিতপুর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে কিশোরগঞ্জ জেলার অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে এর ঐতিহাসিক পটভূমি দেখে নিতে পারেন।