বিষয়বস্তুতে চলুন

পিরিজপুর ইউনিয়ন, বাজিতপুর

মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়াত্ত উইকিপিডিয়া
পিরিজপুর ইউনিয়ন, বাজিতপুর উপজিলা
মাপাহান
বাজিতপুর উপজিলার ইউনিয়নগি
বাজিতপুর উপজিলার ইউনিয়নগি

বাজিতপুর উপজিলার মা পিরিজপুর ইউনিয়নগ
উপজিলা বাজিতপুর উপজিলা
জিলা কিশোরগঞ্জ জিলা
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
প্রতিনিধি
চেয়ারম্যানগ পৌ নেই
পরিসংখ্যান
গাঙ ২৭ হান
মৌজা ৯ হান
লয়াগ
 - পুল্লাপ
 

৫৭৩০ একর (৮.৯ বর্গ কিমি)
ঘর ৪৭৬০ গ
জনসংখ্যা
 - পুল্লাপ
 -বেয়াপা
 -মুনি

২৬,৬৪৭ গ (মারি ১৯৯১)
১৩,১২৩ গ
১২,৮৭৬ গ
শিক্ষারহার ১৮.৭ %
সরকারী পৌ পিরিজপুর ইউনিয়নর সরকারী তথ্য

পিরিজপুর ইউনিয়ন এগ বাজিতপুর উপজিলার কিশোরগঞ্জ জিলার বারো ঢাকা বিভাগর ইউনিয়ন আগ।

ভৌগলিক উপাত্ত

[পতিক]

আয়তনহান: ৫৭৩০ একর (৮.৯বর্গ কিলোমিটার)। ইউনিয়ন এগত ৪৭৬০ গ ঘরর ইউনিট আসে।

চৌদ্দাহান

[পতিক]

মুঙেদে: --- ইউনিয়ন।

পিছেদে: --- ইউনিয়ন।

খায়েদে: --- ইউনিয়ন।

ঔয়াঙেদে: --- ইউনিয়ন।

জনসংখ্যার উপাত্ত

[পতিক]

বাংলাদেশর ১৯৯১ মারির মানুলেহা (লোক গননা) ইলয়া পিরিজপুর ইউনিয়নর জনসংখ্যা ইলাতাই ২৬,৬৪৭ গ।[] অতার মা মুনি ৫১%, বারো জিলা/বেয়াপা ৪৯%। ইউনিয়ন এগত ১৮ বসরর গজে ১২,৮৭৬গ মানু আসি। লহঙ করিসিতা ৪৫৬৫গ বেয়াপা (১৫-৪৪ বসর) আসি। পিরিজপুর ইউনিয়নর সাক্ষরতার হারহান ১৮.৭%।

ইতিহাসহান

[পতিক]

৩৬০আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী

হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া(রহঃ) এর দরগাহ শরীফ সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ।।

[]৩৬০ আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী

হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া( রহঃ) এর মেলা

সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ।

বাজিতপুর উপজেলার ইতিহাস ও ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের প্রেক্ষাপট নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ১. ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের শাসক ও ধর্মগোষ্ঠী: ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের দিকে এই অঞ্চলটি প্রধানত হিন্দু রাজন্যবর্গের শাসনাধীন ছিল [১.৫.৫]। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বা ভাটি অঞ্চল ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত ছিল। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, সিলেট অঞ্চলে তখন রাজা গৌর গোবিন্দ শাসন করতেন এবং তাঁর প্রভাব পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিদ্যমান ছিল [১.১.৫, ১.৫.৫]। বাজিতপুর ও এর আশপাশের হাওড় অঞ্চল তখন মূলত বনজঙ্গল এবং জলাকীর্ণ ছিল [১.২.৪]। এই সময়ে এখানে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস ছিল বেশি। তবে নিচু বর্ণের হিন্দুদের মধ্যে সামাজিক বৈষম্যের কারণে পরবর্তীতে ইসলাম ধর্মের প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় [১.১.১]। ২. ইসলাম প্রচারের ইতিহাস: আউলিয়াদের আগমন: ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল (র.)-এর সিলেট বিজয়ের সময় থেকেই এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের গতি বৃদ্ধি পায় [১.৫.৫]। অনেক সুফি-সাধক ও পীর-মাশায়েখ এ অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন [১.১.১]। বায়েজিদ খাঁ: বাজিতপুর নামকরণের ক্ষেত্রে মুঘল আমলের বায়েজিদ খাঁ নামক এক রাজকর্মচারীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যিনি দিল্লী থেকে এসে এখানে অবস্থান করেন এবং শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে জনশ্রুতি আছে [১.২.২, ১.২.৩]। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: শাসক (১৩০৩): স্থানীয় হিন্দু রাজা বা সামন্ত রাজা। ধর্মগোষ্ঠী: প্রধানত হিন্দু সমাজ। ইসলাম প্রচার: ১৩০৩-এর পর থেকে সুফি-সাধকদের আগমনে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। বাজিতপুর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে কিশোরগঞ্জ জেলার অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে এর ঐতিহাসিক পটভূমি দেখে নিতে পারেন।[]

গাঙ বারো মৌজা

[পতিক]

ইউনিয়ন এগত গাঙ: ২৭ হান বারো মৌজা: ৯ হান আসে

নাংকরা মানু

[পতিক]

ফায় ফসল

[পতিক]

সাকেই আসে ইকরা

[পতিক]

পাসিতা

[পতিক]
  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS). পাসিলাঙতা জুলাই ২, মারি ২০০৭.
  2. ৩৬০ আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া ( রহঃ) এর দরগাহ শরীফ সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ
  3. ৩৬০ আউলিয়ার অন্য তম শিষ্য সফর সঙ্গী হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া( রহঃ) এর মেলা সুলতান পুর উত্তর পিরিজপুর বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশ। বাজিতপুর উপজেলার ইতিহাস ও ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের প্রেক্ষাপট নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ১. ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের শাসক ও ধর্মগোষ্ঠী: ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের দিকে এই অঞ্চলটি প্রধানত হিন্দু রাজন্যবর্গের শাসনাধীন ছিল [১.৫.৫]। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বা ভাটি অঞ্চল ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত ছিল। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, সিলেট অঞ্চলে তখন রাজা গৌর গোবিন্দ শাসন করতেন এবং তাঁর প্রভাব পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিদ্যমান ছিল [১.১.৫, ১.৫.৫]। বাজিতপুর ও এর আশপাশের হাওড় অঞ্চল তখন মূলত বনজঙ্গল এবং জলাকীর্ণ ছিল [১.২.৪]। এই সময়ে এখানে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস ছিল বেশি। তবে নিচু বর্ণের হিন্দুদের মধ্যে সামাজিক বৈষম্যের কারণে পরবর্তীতে ইসলাম ধর্মের প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় [১.১.১]। ২. ইসলাম প্রচারের ইতিহাস: আউলিয়াদের আগমন: ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল (র.)-এর সিলেট বিজয়ের সময় থেকেই এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের গতি বৃদ্ধি পায় [১.৫.৫]। অনেক সুফি-সাধক ও পীর-মাশায়েখ এ অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন [১.১.১]। বায়েজিদ খাঁ: বাজিতপুর নামকরণের ক্ষেত্রে মুঘল আমলের বায়েজিদ খাঁ নামক এক রাজকর্মচারীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যিনি দিল্লী থেকে এসে এখানে অবস্থান করেন এবং শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে জনশ্রুতি আছে [১.২.২, ১.২.৩]। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: শাসক (১৩০৩): স্থানীয় হিন্দু রাজা বা সামন্ত রাজা। ধর্মগোষ্ঠী: প্রধানত হিন্দু সমাজ। ইসলাম প্রচার: ১৩০৩-এর পর থেকে সুফি-সাধকদের আগমনে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। বাজিতপুর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে কিশোরগঞ্জ জেলার অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে এর ঐতিহাসিক পটভূমি দেখে নিতে পারেন।


  বাংলাদেশর স্থানীয় সরকারর প্রশাসনর ইউনিয়নয়র বারে লইনাসে নিবন্ধ আহান, লইকরানিত পাঙকরিক।