পিরোজপুর জিলা
| পিরোজপুর জিলা | |
| মাপাহান | |
|---|---|
|
| |
| দেশ | |
| বিভাগ | বরিশাল বিভাগ |
| প্রতিনিধি | |
| জিলা পরিষদ চেয়ারম্যানগ |
পৌ নেই |
| পরিসংখ্যান | |
| সংসদর আসন | ৩হান |
| উপজিলা | ৬গ |
| পৌরসভা | ৩হান |
| লয়াগ - পুল্লাপ |
১৩০৭.৬১ বর্গ কিমি (৫০৪.৮৭ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা - পুল্লাপ -বেয়াপা -মুনি |
১১১১০৬৮ গ (মারি ২০০১) ৫৪৯০৯৬ গ ৫৬১৯৭২ গ |
| শিক্ষারহার | ৬৪.৩ % |
| সময়র লয়া | বামাস (আমাস+৬:০০) |
| পোষ্টকোড | ৮৫০০-৮৫৬৬ |
| সরকারী ৱেব | পিরোজপুর জিলার তথ্য বাতায়ন |
| সরকারী মানচিত্র | পিরোজপুর জিলার মানচিত্রগ |
| মহকুমাত্ত জিলাত কাহিলতা _ মারির _ | |
পিরোজপুর জিলা (ইংরেজি:Pirojpur Zila), বাংলাদেশর বরিশাল বিভাগর অধীনর জিলা আগ।
ভৌগলিক মাপাহান
[পতিক]পিরোজপুর জিলার লয়গর ডাঙরহান ইলতাই ১৩০৭.৬১ বর্গ কিমি (৫০৪.৮৭ বর্গ মাইল)। জিলা এগর ভৌগলিক মাপাহান ইলতাই- অক্ষতুপ: ২২° ৩৪′ ৪০″ ঔয়াঙ বারো দ্রাগিমাতুপ: ৮৯° ৫৯′ ২৪″ মুঙ।
জনসংখ্যার উপাত্ত
[পতিক]বাংলাদেশর ২০০১ মারির মানুলেহা (লোক গননা) অনুসারে পিরোজপুর জিলার জনসংখ্যা ইলাতাই ১১১১০৬৮ গ।[১]অতার মা মুনি ৫৬১৯৭২গ, বারো জেলা/বেয়াপা ৫৪৯০৯৬গ। পিরোজপুর জিলার সাক্ষরতার হারহান ৬৪.৩%। বাংলাদেশর সাক্ষরতার হারহান ৪৮.৭%, অহানাত্ত পিরোজপুর জিলার সাক্ষরতার হারহান বপ/য়্যাম।
ইতিহাস
[পতিক]বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীমেখলা জেলা পিরোজপুর। এই জনপদের নামকরণের ইতিহাস নিয়ে নানাবিধ মত থাকলেও ঐতিহাসিক অনুসন্ধান ও গবেষণালব্ধ অধিকাংশ উপসংহারে অনুমিত হয়েছে যে, এক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ‘ফিরোজ সরদার’-কে স্মৃতিময় করে রাখার প্রয়াসেই এই জায়গার নাম ‘ফিরোজপুর’ হয়েছিল, যা কালক্রমে ভাষাগত বিবর্তনে ‘পিরোজপুর’ নাম ধারণ করেছে।[২]
১৭০০ খ্রিস্টাব্দে এই অঞ্চলে সরদার বংশের প্রথিতযশা ঐতিহাসিক জমিদার ফিরোজ সরদারের আগমন ঘটে। তৎকালীন সময়ে এ অঞ্চলটি ছিল গভীর অরণ্য ও সুন্দরবনের অংশবিশেষ। তিনিই সর্বপ্রথম এই দুর্গম অঞ্চলের বন-জঙ্গল ও গাছপালা পরিষ্কার করে মানুষের বসবাসের উপযোগী জায়গা তৈরি করেন এবং একটি সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তোলেন।[৩]
বাকেরগঞ্জ পরগণার প্রভাবশালী জমিদার ও শাসক আগা বাকের খানের সাথে ফিরোজ উদ দ্বীন সরদারের গভীর সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। নবাব সিরাজউদ্দৌলা তৎকালীন সুবা বাংলার সুবাদার নওয়াজিশ আলী খানকে সরিয়ে আগা বাকের খানকে নতুন সুবাদার নিয়োগ দেন। নবাবের বিশেষ আদেশে নদীপথের নিরাপত্তা ও জলদস্যু দমনের জন্য আগা বাকের খান নিজে মেঘনা, যমুনা ও সন্ধ্যা নদী পর্যন্ত পাহারা দিতেন। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করতে ফিরোজ উদ দ্বীন সরদার দক্ষ সরদারদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নদীতে পাহারায় নিযুক্ত করেন:[৪]
- খুলনা অঞ্চলের রূপসা নদী
- বাগেরহাটের দরাটানা নদী
- পিরোজপুর অঞ্চলের বলেশ্বর নদী
নবাব আলীবর্দী খানের জ্যেষ্ঠ কন্যা ঘসেটি বেগম ও ঢাকার ডেপুটি নাজিম নওয়াজিশ খানের নওয়ারা পেশকার রাজবল্লভের সাথে আগা বাকের ও ফিরোজ সরদারের বিবাদ ছিল। এই সুযোগে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরার শাসনকর্তা উমেদ ঢাকায় তাদের আক্রমণ করেন। আগা বাকের খান আরাকানি রাজার নিকট সাহায্য চাইলে সর্দার লেয়া মুরারীকে এক হাজার যুদ্ধ জাহাজসহ পাঠানো হয়। তাদের সহায়তায় ফিরোজ সরদার ও আগা বাকের খান উমেদকে পরাজিত করেন।[৫]
পরবর্তীতে রাজবল্লভ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আগা বাকেরকে সরিয়ে পূর্ব বাংলার প্রধান ব্যক্তি হতে চাইলেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলা শুরুতে বিভ্রান্ত হয়ে আগা বাকের, ফিরোজ সরদার ও তাঁর পুত্র আগা সাদেককে মুর্শিদাবাদে বন্দী করেন। তবে প্রকৃত সত্য জানতে পেরে নবাব ফিরোজ সরদার আগাবাকের ও আগা সাদেককে মুক্ত করে দেন এবং ঢাকায় হোসেন আবেদীন ও তাঁর দলকে আক্রমণ করার নির্দেশ দেন। ১৭৫৩ খ্রিস্টাব্দের এক গভীর রাতে আগা সাদেক তাঁর পিতা আগা বাকের ও জমিদার ফিরোজ উদ দ্বীন সরদারকে নিয়ে হোসেন আবেদীনকে আক্রমণ করে হত্যা করেন।[৬]
হোসেন আবেদীনের মৃত্যুর পর নওয়াজিশ খান একদল সৈন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। আগা বাকের তখন ডেপুটি নাজেম পদের নিয়োগপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে ঘসেটি বেগম ও রাজবল্লভের দল এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের জাল বুনে। তারা আপ্যায়নের অজুহাতে আগা বাকের খান, ফিরোজ সরদার এবং তাঁর পুত্র আগা সাদেকসহ প্রায় দেড়শ সৈন্যকে নবাব বাড়িতে দাওয়াত দেন।[৭]
মূল বাড়ির ভেতরে নদী পাহারা দেওয়া সরদারদের নিয়ে আগা বাকের ও ফিরোজ সরদারকে আপ্যায়নের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাকি সৈন্যদের উঠানে বসানো হয়। খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘসেটি বেগমের পক্ষ থেকে শরবতের ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে কৌশলে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। এক সরদার শরবত গ্রহণ করার সাথে সাথেই বিষক্রিয়া টের পান এবং দ্রুত আগা বাকের ও ফিরোজ সরদারকে সতর্ক করেন। মুহূর্তেই তাঁরা তলোয়ার নিয়ে রুখে দাঁড়ালে ঘসেটি বেগম ও রাজবল্লভের বাহিনী অতর্কিত আক্রমণ শুরু করে।[৮]
এই অসম যুদ্ধে বাইরে অবস্থানরত সৈন্যদের ওপরও আক্রমণ চালানো হয়। আগা সাদেক মারাত্মক আহত অবস্থায় কোনোমতে মুর্শিদাবাদে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আগা বাকের খান এবং বীর জমিদার ফিরোজ উদ দ্বীন সরদার সহ মোট ২৩ জন বীর দেশপ্রেমিক ওই নবাব বাড়িতেই শাহাদাত বরণ করেন।[৯]
বাংলার এই দুই অকুতোভয় বীর ও জমিদারের স্মৃতিবিজড়িত সমাধি ঢাকার ঐতিহাসিক আগাসাদেক রোডে অবস্থিত বলে জানা যায়। ১৭৫৩ সালে তাঁদের এই আত্মত্যাগের পর ফিরোজ সরদারের নামানুসারেই এই অঞ্চলের নাম হয় ‘ফিরোজপুর’। পিরোজপুর জেলার ইতিহাসের পাতায় ফিরোজ সরদার এক অনন্য নাম, যিনি কেবল মাটিই আবাদ করেননি, বরং এই জনপদ রক্ষায় নিজের জীবনও উৎসর্গ করেছিলেন।[১০]
সংসদর আসনহানি
[পতিক]পিরোজপুর জিলার আসন ৩হান, অতা ইলতাই:
পিরোজপুর জিলার প্রশাসনিক লয়া
[পতিক]পিরোজপুর জিলার উপজিলাগি ইলতাই:
- ভান্ডারিয়া উপজিলা
* কাউখালী উপজিলা
* মঠবাড়িয়া উপজিলা
* নাজিরপুর উপজিলা
* পিরোজপুর সদর উপজিলা
* নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজিলা - ইন্দুরকানী উপজিলা
পিরোজপুর জিলার পৌরসভা ৩হান, পৌরসভার ৱার্ড ২৭হান, পৌরসভার মহল্লা ৫৫হান, ইউনিয়ন ৫১গ, মৌজা ৩৯৯হান, গাঙ ৬৪৫হান বারো ২৩২৯৮২গ ঘর আসে।
ফায়-ফসল
[পতিক]নাংকরা মানু
[পতিক]১. এম. মতিউর রহমান, সাবেক যোগাযােগ মন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত ও সচিব ২. মতিয়া চৌধুরী, কৃষি মন্ত্রী ৩. আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, কৃষি ও বন মন্ত্রী৪. ড. হারুন-অর-রশিদ, উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৫. জুয়েল আইচ, জাদুশিল্পী ৬. তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, সাংবাদিক ৭. আহসান হাবিব, কবি ও সাংবাদিক ৮.শহীদ নূর হোসেন ৯. আলহাজ্ব লুৎফর রহমান( লতিফ সরদার) পিরোজপুর পৌরসভার একটানা ১০ বার নির্বাচিত মেম্বার
সাকেই আসে ইকরা
[পতিক]বাতায়ন
[পতিক]পাসিতা
[পতিক]
| বাংলাদেশর বিভাগ বারো জিলাগি | |
|---|---|
| বরিশাল বিভাগ: বরগুনা | বরিশাল | ভোলা | ঝালকাঠি | পটুয়াখালি | পিরোজপুর | |
| চট্টগ্রাম বিভাগ: বান্দরবান | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | চাঁদপুর | চট্টগ্রাম | কুমিল্লা | কক্সবাজার | ফেনী | খাগড়াছড়ি | লক্ষ্মীপুর | নোয়াখালী | রাঙামাটি | |
| ঢাকা বিভাগ: ঢাকা | ফরিদপুর | গাজীপুর | গোপালগঞ্জ | কিশোরগঞ্জ | মাদারীপুর | মানিকগঞ্জ | মুন্সিগঞ্জ | নারায়ণগঞ্জ | নরসিংদী | রাজবাড়ী | শরিয়তপুর | টাঙ্গাইল | |
| ময়মনসিংহ বিভাগ: ময়মনসিংহ | জামালপুর | শেরপুর | নেত্রকোণা | |
| খুলনা বিভাগ: বাগেরহাট | চুয়াডাঙ্গা | যশোর | ঝিনাইদহ | খুলনা | কুষ্টিয়া | মাগুরা | মেহেরপুর | নড়াইল | সাতক্ষীরা | |
| রাজশাহী বিভাগ: বগুড়া | জয়পুরহাট | নওগাঁ | নাটোর | নবাবগঞ্জ | পাবনা | রাজশাহী | সিরাজগঞ্জ | |
| সিলেট বিভাগ: হবিগঞ্জ | মৌলভীবাজার | সুনামগঞ্জ | সিলেট | |
| রংপুর বিভাগ: দিনাজপুর | গাইবান্ধা | কুড়িগ্রাম | লালমনিরহাট | নিলফামারী | পঞ্চগড় | রংপুর | ঠাকুরগাঁও |
| নিবন্ধ এহান বাংলাদেশর শহরর গজে লয়নাসে নিবন্ধহান। এহানর তথ্য অতা ১৯৯১ সালরতা, আপনা আসিরাং নুৱা তথ্য থাথাইবহান থকিলে এপেইত পতাদিক। মনেইলে লয়করানিত পাংকরিক। |
